যত দ্রুত সম্ভব ভারতকে ট্রানজিট
দেয়া হবে: দীপু মনি
ভারতকে ট্রানজিট
দেয়া সম্পর্কিত এক প্রশ্নের
উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু
মনি বলেছেন,
“বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ কাজ করছে।
যত দ্রুত সম্ভব তা বাস্তবায়নের
চেষ্টা করা হবে।”
সোমবার নয়া দিল্লিতে হোটেল
‘ওবেরয়’-এ ভারতের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণার
সঙ্গে বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ
সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের এ
কথা বলেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম
কৃষ্ণা ভারত তিস্তার পানি বন্টন
সমস্যা সমাধানের
ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানান।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
“ভারত বাংলাদেশের
সঙ্গে আলোচনা না করে হিমালয়
থেকে প্রবাহিত নদ-নদীর
আন্তঃ সংযোগ প্রকল্প গ্রহণ করবে না।”
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরামর্শক
কমিশনের প্রথম এই
বৈঠকে ব্যবসা বাণিজ্য, কানেকভিটি,
বিদ্যুৎ, পানি সম্পদ, নিরাপত্তা,
সীমান্ত ব্যবস্থাপনা,
অবকাঠামো উন্নয়ন, উভয় দেশের
জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি,
সংস্কৃতি, পরিবেশ ও শিক্ষাসহ
দ্বিপাক্ষিক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার
সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এছাড়া দু’দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত
চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের
বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।
চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক
বাস্তবায়নে সন্তোষজনক
অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে ভারতের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বেশিরভাগই
বাস্তবায়িত হয়েছে। অবশিষ্ট
চুক্তি অচিরেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব
হবে।”
এক প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশের
পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনি বলেন,
“বাংলাদেশের
সঙ্গে আলোচনা না করে টিপাইমুখ
প্রকল্পের ব্যাপারে ভারত
কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলে আশ্বস্ত
করেছে।”
তিনি বলেন, “টিপাইমুখ প্রকল্পের ওপর
উভয় দেশের বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করছে।
এ ব্যাপারে একটি সাব গ্রুপও গঠন
করা হয়েছে। তারা এখন সব বিষয়
দেখাশোনা করছে। বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুযায়ী এসব
টিম গঠন করা হয়েছে।”
তুলা রফতানির ক্ষেত্রে ভারতের
ইতিবাচক সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ
করে দীপু মনি বলেন, “এর
ফলে বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক
শিল্প লাভবান হবে।” তিনি বলেন,
“ভারত ইতিমধ্যেই তাদের
বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কমুক্ত
প্রবেশের অধিকার দিয়েছে। তিন
বিঘা করিডোর সমস্যার সমাধান
করেছে। পাশাপাশি পানি ও বিদ্যুৎসহ
অমীমাংসিত সমস্যাগুলো শিগগির
সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।”
সোমবারের বৈঠকে বাংলাদেশ
পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী ডা: দীপু মনি।
তাকে সহায়তা করেন পররাষ্ট্র সচিব
মিজারুল কয়েস, ভারতে নিযুক্ত
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত টি এ করিম ও
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী এস এম কৃষ্ণা।
তাকে সহায়তা করেন পররাষ্ট্র সচিব
রঞ্জন মেথাইসহ সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা।
ডা. দীপু মনি সোমবারের
বৈঠককে অত্যন্ত সফল উল্লেখ
করে বলেন, “আমরা সার্বিক
বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করতে সক্ষম
হয়েছি এবং আমি অত্যন্ত খুশি মন
নিয়ে ফিরে যাচ্ছি।”
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস এম
কৃষ্ণা বলেন, “আঙ্গরপোতা-
দহগ্রামে বাংলাদেশের নাগরিকদের
২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের অধিকার
নিশ্চিত করা হয়েছে। সীমান্ত
ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার কাজ চলছে।
এটা বাস্তবায়িত
হলে সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত
ঘটনা হ্রাস পাবে। তাছাড়া অবৈধ
এবং অপরাধীদের কর্মকাণ্ড বন্ধ
করা সম্ভব হবে।”
তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ খাতে সমঝোতার
বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতের কাজ দ্রুত
এগিয়ে চলেছে। ২০১৩ সালের
মধ্যে গ্রীষ্মে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
বাংলাদেশকে দেয়ার আশা করা হচ্ছে।
২০১৬ সালের মধ্যে কয়লাভিত্তিক
বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজও শেষ
করার আশা করছি।”
কৃঞ্চা বলেন, “সীমান্ত ম্যাপ তৈরির
কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে।
আশা করছি এ কাজটি শিগগিরই শেষ
হয়ে যাবে। বর্ডার ম্যানেজমেন্ট কাজ
করতে শুরু করেছে। এর
ফলে সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা,
অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার কমে যাবে।
এছাড়া মেঘালয়ের মতো ত্রিপুরা ও
মিজোরামে বর্ডার হাটের কার্যক্রম
শুরু করার আশা করা হচ্ছে। বাসস
দেয়া হবে: দীপু মনি
ভারতকে ট্রানজিট
দেয়া সম্পর্কিত এক প্রশ্নের
উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু
মনি বলেছেন,
“বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ কাজ করছে।
যত দ্রুত সম্ভব তা বাস্তবায়নের
চেষ্টা করা হবে।”
সোমবার নয়া দিল্লিতে হোটেল
‘ওবেরয়’-এ ভারতের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণার
সঙ্গে বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ
সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের এ
কথা বলেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম
কৃষ্ণা ভারত তিস্তার পানি বন্টন
সমস্যা সমাধানের
ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানান।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
“ভারত বাংলাদেশের
সঙ্গে আলোচনা না করে হিমালয়
থেকে প্রবাহিত নদ-নদীর
আন্তঃ সংযোগ প্রকল্প গ্রহণ করবে না।”
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরামর্শক
কমিশনের প্রথম এই
বৈঠকে ব্যবসা বাণিজ্য, কানেকভিটি,
বিদ্যুৎ, পানি সম্পদ, নিরাপত্তা,
সীমান্ত ব্যবস্থাপনা,
অবকাঠামো উন্নয়ন, উভয় দেশের
জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি,
সংস্কৃতি, পরিবেশ ও শিক্ষাসহ
দ্বিপাক্ষিক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার
সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এছাড়া দু’দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত
চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের
বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।
চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক
বাস্তবায়নে সন্তোষজনক
অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে ভারতের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বেশিরভাগই
বাস্তবায়িত হয়েছে। অবশিষ্ট
চুক্তি অচিরেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব
হবে।”
এক প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশের
পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনি বলেন,
“বাংলাদেশের
সঙ্গে আলোচনা না করে টিপাইমুখ
প্রকল্পের ব্যাপারে ভারত
কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলে আশ্বস্ত
করেছে।”
তিনি বলেন, “টিপাইমুখ প্রকল্পের ওপর
উভয় দেশের বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করছে।
এ ব্যাপারে একটি সাব গ্রুপও গঠন
করা হয়েছে। তারা এখন সব বিষয়
দেখাশোনা করছে। বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুযায়ী এসব
টিম গঠন করা হয়েছে।”
তুলা রফতানির ক্ষেত্রে ভারতের
ইতিবাচক সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ
করে দীপু মনি বলেন, “এর
ফলে বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক
শিল্প লাভবান হবে।” তিনি বলেন,
“ভারত ইতিমধ্যেই তাদের
বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কমুক্ত
প্রবেশের অধিকার দিয়েছে। তিন
বিঘা করিডোর সমস্যার সমাধান
করেছে। পাশাপাশি পানি ও বিদ্যুৎসহ
অমীমাংসিত সমস্যাগুলো শিগগির
সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।”
সোমবারের বৈঠকে বাংলাদেশ
পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী ডা: দীপু মনি।
তাকে সহায়তা করেন পররাষ্ট্র সচিব
মিজারুল কয়েস, ভারতে নিযুক্ত
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত টি এ করিম ও
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী এস এম কৃষ্ণা।
তাকে সহায়তা করেন পররাষ্ট্র সচিব
রঞ্জন মেথাইসহ সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা।
ডা. দীপু মনি সোমবারের
বৈঠককে অত্যন্ত সফল উল্লেখ
করে বলেন, “আমরা সার্বিক
বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করতে সক্ষম
হয়েছি এবং আমি অত্যন্ত খুশি মন
নিয়ে ফিরে যাচ্ছি।”
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস এম
কৃষ্ণা বলেন, “আঙ্গরপোতা-
দহগ্রামে বাংলাদেশের নাগরিকদের
২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের অধিকার
নিশ্চিত করা হয়েছে। সীমান্ত
ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার কাজ চলছে।
এটা বাস্তবায়িত
হলে সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত
ঘটনা হ্রাস পাবে। তাছাড়া অবৈধ
এবং অপরাধীদের কর্মকাণ্ড বন্ধ
করা সম্ভব হবে।”
তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ খাতে সমঝোতার
বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতের কাজ দ্রুত
এগিয়ে চলেছে। ২০১৩ সালের
মধ্যে গ্রীষ্মে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
বাংলাদেশকে দেয়ার আশা করা হচ্ছে।
২০১৬ সালের মধ্যে কয়লাভিত্তিক
বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজও শেষ
করার আশা করছি।”
কৃঞ্চা বলেন, “সীমান্ত ম্যাপ তৈরির
কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে।
আশা করছি এ কাজটি শিগগিরই শেষ
হয়ে যাবে। বর্ডার ম্যানেজমেন্ট কাজ
করতে শুরু করেছে। এর
ফলে সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা,
অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার কমে যাবে।
এছাড়া মেঘালয়ের মতো ত্রিপুরা ও
মিজোরামে বর্ডার হাটের কার্যক্রম
শুরু করার আশা করা হচ্ছে। বাসস
No comments:
Post a Comment